৯ বছরের মধ্যে বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হবে ওয়ালটন
বাংলাদেশে একটি সময় মানুষের ঘরে ঘরে ছিল না খাবার রাখার রেফ্রিজারেটর। ঘরে ঘরে ঘুড়ে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হতো খাবার। সেই সময়ে অনেককেই অপমানের শিকার হতে হতো। তবে বিগত ১২ বছরে পাল্টে গেছে দেশের মানুষের জীবন যাত্রা। এখন দেশের প্রতিটি মানুষের সক্ষমতা রয়েছে রেফ্রিজারেটর কেনার।
স্থানীয় সময় ২২ সেপ্টেম্বর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে আয়োজিত ‘ইনভেস্টর সামিট: বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটস অব রাইজ অব বেঙল টাইগার’ রোড শোতে অংশ নিয়ে এভাবে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর চিত্র তুলে ধরেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মুর্শেদ।
বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট খ্যাত ওয়ালটনের এই পথপ্রদর্শক জানান, আগামী নয় বছর বা ২০৩০ সালের মধ্যে গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম হবে বাংলাদেশের ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে দেশীয় টেকজায়ান্ট খাত এই প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা বিএসইসি আয়োজিত রোড শোতে বাংলাদেশের অর্থনীতির সক্ষমতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা, পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটকে তুলে ধরা হয়। তুলে ধরা হয় দেশের অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের সুবিধার পাশাপাশি প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনাকেও।
অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে গেছে। দেশে বিদেশি বিনিয়োগের দ্বার খুলে দিয়েছে সরকার। দেশ ছোট বিনিয়োগের সময় পাড় করে এসেছে। বাংলাদেশের এখন প্রয়োজন বড় বিনিয়োগের।
রোড শো’তে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেনেভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সেক্রেটারি এন এম জিয়াউল আলম।